• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

জামালপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আরেক জনের মৃত্যু

মৃত্যুজামালপুর: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতায় নূর ইসলাম (৩৮) নামের আরেক জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে জামালপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়ালো। নিহত ব্যক্তি ওই উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের কুতুবের চর গ্রামের কামাল্লা ফকিরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নৌকা প্রতীকে সিল মারাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো.শাকিরুজ্জামান রাখাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মো.শাজাহান মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নূর ইসলাম গুরুতর আহত হন। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত নূর ইসলামের বড় ছেলে ময়নাল হক জানান, ‘আমার বাবা একজন কৃষক মানুষ। ওই কেন্দ্রে তিনি ভোট দিতে গিয়েছিলেন মাত্র। জাল ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আমার বাবাকে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক মনে করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকেরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। প্রথমে গুরুতর অবস্থায় বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমার বাবা তো কোনো রাজনীতি করতেন না। তাহলে কেন আমার বাবাকে হত্যা করা হলো?’  এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।

দেওয়ানগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘ওই ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদটি আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।’

উল্লেখ্য যে, শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সাকিরুজ্জামান রাকার সমর্থকরা কেন্দ্র দখল করতে চাইলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার সমর্থকরা বাধা দেন। এতে উভয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হন।

নিহতরা হলেন- শেখপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মাজেদ, একই গ্রামের সাত্তারের ছেলের নুরুল ইসলাম (২০), পুতুবের চর গ্রামের আমজাদ হাজির ছেলে নবম শ্রেণির নবীরুল ইসলাম ও একই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে জিয়া (২৫)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ